• Skip to main content
  • Skip to primary sidebar

Runnar Hut

Runnar Hut

  • Home
  • About Us
  • Contact Us
বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি: ঐতিহ্যবাহী খাবারে উৎসবের আমেজ

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি: ঐতিহ্যবাহী খাবারে উৎসবের আমেজ

posted on

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে এক অনন্য দিন। এই দিনে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে মিলে ঐতিহ্যবাহী খাবার উপভোগ করার মাধ্যমে আমরা উদযাপন করি স্বাধীনতার আনন্দ। তাই, বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের জন্য রয়েছে বাছাই করা সেরা কিছু খাবারের রেসিপি।

এছাড়াও, লাল-সবুজ পতাকার রঙে সাজানো খাবার টেবিল দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি স্বাদেও অতুলনীয়। চলুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করবেন এই বিশেষ দিনের জন্য নিখুঁত খাবার।

কেন বিজয় দিবসে বিশেষ খাবার তৈরি করবেন?

প্রথমত, বিজয় দিবস শুধু একটি ছুটির দিন নয়। বরং, এটি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীরত্বগাথা স্মরণ করার দিন। এই দিনে পরিবারের সবাই মিলে একসাথে খাওয়া-দাওয়া করার ঐতিহ্য রয়েছে।

দ্বিতীয়ত, ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবার এই উৎসবের প্রাণ। সুতরাং, মুখরোচক বিরিয়ানি, রেজালা বা মিষ্টি সেমাই তৈরি করে আপনি পরিবারে আনতে পারেন আনন্দের ছোঁয়া।

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি: মূল খাবার

১. কাচ্চি বিরিয়ানি রেসিপি

কাচ্চি বিরিয়ানি বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় উৎসবের খাবার। কাচ্চি বিরিয়ানি হলো বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার। এটি মূলত বিশেষ উৎসব, পারিবারিক জমায়েত বা আনন্দ অনুষ্ঠানে তৈরি করা হয়। কাঁচা মাংস, বাসমতি চাল, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গসহ বিভিন্ন মসলা দিয়ে ধীরে ধীরে মেরিনেট করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে প্রায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা রান্না করা হয়। এই পদ্ধতিতে মাংসের স্বাদ এবং মসলার খনিজ তেলের সঙ্গে চালের সুগন্ধ একত্রিত হয়ে অনন্য স্বাদ সৃষ্টি করে। পরিবেশনের সময় এটি ধনেপাতা, পেঁয়াজ ভাজা এবং কেসর দিয়ে সাজানো হয়। কাচ্চি বিরিয়ানি শুধু মুখরোচক নয়, বরং দেশের খাবারের সংস্কৃতিরও প্রতীক।

  • বাসমতি চাল: ৫০০ গ্রাম
  • খাসির মাংস: ৭০০ গ্রাম
  • দই: ১ কাপ
  • আদা-রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ
  • পেঁয়াজ কুচি: ৩টি (মাঝারি)
  • বিরিয়ানি মসলা: ২ টেবিল চামচ
  • জাফরান ও দুধ: সামান্য
  • ঘি: ৪ টেবিল চামচ
  • লবণ ও চিনি: স্বাদমতো

প্রণালী:

প্রথমে, মাংস ধুয়ে দই, আদা-রসুন বাটা, বিরিয়ানি মসলা ও লবণ দিয়ে মেরিনেট করুন। এরপর, ২ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন।

এদিকে, চাল ভালো করে ধুয়ে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর, হাফ সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন।

এবার, একটি ভারী তলার হাঁড়িতে ঘি গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন। এরপর, মেরিনেট করা মাংস দিয়ে ১০ মিনিট রান্না করুন।

অতঃপর, মাংসের উপর চাল বিছিয়ে দিন। জাফরান মিশ্রিত দুধ ও অবশিষ্ট ঘি ছড়িয়ে দিন।

সবশেষে, হাঁড়ির মুখ আটা দিয়ে সিল করে দম দিন ৪০-৪৫ মিনিট। ফলে, বিরিয়ানি হবে নরম এবং সুগন্ধযুক্ত।

২. গরুর মাংসের রেজালা

গরুর মাংসের রেজালা হলো বাংলাদেশি ও পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী মাংসের রান্না। এটি সাধারণত বিশেষ অনুষ্ঠানে বা উৎসবে তৈরি করা হয়। রেজালার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর মসলা ও ঘন, সোনালী কুঁচি তেল-মিশ্রিত গ্রেভি। গরুর মাংস দীর্ঘক্ষণ নরম করে রান্না করা হয় যাতে প্রতিটি কণায় মসলা ভালোভাবে মিশে যায়। পেঁয়াজ, আদা, রসুন, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ এবং গোটা মরিচের সংমিশ্রণে তৈরি এই মসলা রেজালার স্বাদকে অনন্য করে তোলে। রেজালা সাধারণত ভাত বা পরোটা সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। এই রেসিপি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর হওয়ায় সবাই উপভোগ করতে পারে।

উপকরণ:

  • গরুর মাংস: ৫০০ গ্রাম
  • দই: ১ কাপ
  • পেঁয়াজ বাটা: ২ টেবিল চামচ
  • আদা-রসুন বাটা: ১.৫ টেবিল চামচ
  • সাদা মরিচের গুঁড়া: ১ চা চামচ
  • জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া: সামান্য
  • এলাচ ও দারচিনি: ৪-৫টি
  • কাজুবাদাম বাটা: ২ টেবিল চামচ
  • ঘি: ৩ টেবিল চামচ
  • লবণ ও চিনি: স্বাদমতো

প্রণালী:

শুরুতে, মাংস ছোট টুকরো করে ধুয়ে নিন। তারপর, দই, আদা-রসুন বাটা ও লবণ দিয়ে ১ ঘণ্টা মেরিনেট করুন।

এরপর, কড়াইতে ঘি গরম করে এলাচ-দারচিনি ফোড়ন দিন। এবার, পেঁয়াজ বাটা দিয়ে সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।

এরপরে, মেরিনেট করা মাংস দিয়ে মাঝারি আঁচে ১৫ মিনিট নাড়ুন। তখন, মাংসের রস বের হয়ে আসবে।

পরবর্তীতে, সাদা মরিচের গুঁড়া, জায়ফল-জয়ত্রী ও কাজুবাদাম বাটা যোগ করুন। এরপর, ঢাকনা দিয়ে মাংস নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

সবশেষে, চিনি ও অতিরিক্ত ঘি দিয়ে নামিয়ে নিন। ফলস্বরূপ, রেজালা হবে ক্রিমি এবং সুস্বাদু।

৩. চিকেন রোস্ট

চিকেন রোস্ট বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এটি সহজে তৈরি করা যায় এমন খাবার। এটি সাধারণত লুচি, পরোটা বা ভাতের সাথে পরিবেশন করা যায়। বিজয় দিবসের মতো বিশেষ দিনে এই চিকেন রোস্ট দেশীয় ও উৎসবমুখর খাবার হিসেবে দারুণ মানায়।

উপকরণ:

  • চিকেন: ১ কেজি (মাঝারি টুকরো)
  • দই: ১/২ কাপ
  • টমেটো পিউরি: ৩ টেবিল চামচ
  • আদা-রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ
  • জিরা-ধনে গুঁড়া: ১ টেবিল চামচ
  • হলুদ ও মরিচ গুঁড়া: ১ চা চামচ করে
  • গরম মসলা: ১ চা চামচ
  • পেঁয়াজ কুচি: ২টি
  • তেল: ৪ টেবিল চামচ
  • লবণ: স্বাদমতো

প্রণালী:

প্রথম ধাপে, চিকেন ধুয়ে দই, আদা-রসুন বাটা, হলুদ ও লবণ দিয়ে ৩০ মিনিট মেরিনেট করুন।

এরপর, কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন। তারপর, মেরিনেট করা চিকেন দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

এবার, টমেটো পিউরি, জিরা-ধনে গুঁড়া ও মরিচ গুঁড়া যোগ করুন। তারপর, ঢাকনা দিয়ে ২০ মিনিট মাঝারি আঁচে রান্না করুন।

অতঃপর, গরম মসলা ছিটিয়ে আরও ৫ মিনিট রান্না করুন। সুতরাং, চিকেন হবে নরম এবং সস হবে ঘন।

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি: সাইড ডিশ

৪. লাল-সবুজ সালাদ

বিজয় দিবসের থিমে তৈরি এই সালাদ দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি পুষ্টিকরও বটে।

উপকরণ:

  • সবুজ ক্যাপসিকাম: ১টি (কুচি করা)
  • লাল ক্যাপসিকাম: ১টি (কুচি করা)
  • টমেটো: ২টি (কুচি করা)
  • শসা: ১টি (স্লাইস করা)
  • ধনে পাতা: ১/২ কাপ (কুচি করা)
  • লেবুর রস: ২ টেবিল চামচ
  • লবণ ও গোলমরিচ: স্বাদমতো

প্রণালী:

শুরুতে, সব সবজি ধুয়ে কুচি বা স্লাইস করে নিন। এরপর, একটি বড় বাটিতে সব উপকরণ একসাথে মেশান।

তারপর, লেবুর রস, লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে মিক্স করুন। সুতরাং, সালাদ পরিবেশনের জন্য তৈরি।

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি: মিষ্টি খাবার

৫. দুধ সেমাই

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি তালিকায় মিষ্টি হিসেবে দুধ সেমাই সবার প্রিয়। এটি সহজে তৈরি হয় এবং খেতে সুস্বাদু।

উপকরণ:

  • সেমাই: ২০০ গ্রাম
  • দুধ: ১ লিটার
  • চিনি: ১ কাপ (বা স্বাদমতো)
  • এলাচ গুঁড়া: ১/২ চা চামচ
  • কিসমিস ও কাজু: সাজানোর জন্য
  • ঘি: ২ টেবিল চামচ

প্রণালী:

প্রথমত, কড়াইতে ঘি গরম করে সেমাই হালকা সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। এরপর, এক পাশে রাখুন।

এবার, দুধ ফুটিয়ে তাতে ভাজা সেমাই দিয়ে দিন। তারপর, মাঝারি আঁচে নাড়তে থাকুন।

এরপরে, সেমাই সিদ্ধ হলে চিনি ও এলাচ গুঁড়া যোগ করুন। তারপর, আরও ৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।

সবশেষে, কিসমিস ও কাজু দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। ফলে, মিষ্টি সেমাই হবে ক্রিমি এবং মুখরোচক।

৬.ফিরনি

ফিরনি একটি ঐতিহ্যবাহী মুঘলাই মিষ্টি খাবার।

ফিরনি হলো একটি জনপ্রিয় বাংলা মিষ্টান্ন, যা বিশেষত উৎসব বা পারিবারিক আড্ডায় তৈরি করা হয়। এটি মূলত দুধ, চিনি, চালের আটা বা চিনি দিয়ে তৈরি করা হয়। ফিরনির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর মসৃণ ও ক্রিমি কন্সিস্টেন্সি। অনেক সময় এতে পেস্তা, বাদাম বা কেশর (জাফরান) দিয়ে সুগন্ধ ও রঙ আনা হয়। এটি ঠান্ডা করে পরিবেশন করা হয় এবং গরমের দিনে খুবই উপভোগ্য। ফিরনি শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিকর দিক থেকেও ভালো, কারণ এতে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে। বিজয় দিবসের মতো বিশেষ দিনে লাল বা সবুজ থিমের উপাদান যোগ করে তৈরি করলে এটি আরও আকর্ষণীয় ও উৎসবমুখর হয়।

  • চালের গুঁড়া: ৪ টেবিল চামচ
  • দুধ: ১ লিটার
  • চিনি: ১ কাপ
  • এলাচ: ৪-৫টি
  • জাফরান: সামান্য
  • বাদাম কুচি: সাজানোর জন্য

প্রণালী:

শুরুতে, চালের গুঁড়া সামান্য পানিতে গুলে নিন। এরপর, দুধ ফুটিয়ে তাতে গুলানো চালের গুঁড়া ঢেলে দিন।

এবার, মাঝারি আঁচে নাড়তে থাকুন যাতে দলা না হয়। তারপর, মিশ্রণ ঘন হলে চিনি ও এলাচ যোগ করুন।

এরপরে, জাফরান মিশিয়ে আরও ৫ মিনিট রান্না করুন। তারপর, ঠান্ডা হলে ফ্রিজে রাখুন।

পরিশেষে, বাদাম কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন। সুতরাং, ফিরনি হবে ঠান্ডা এবং সুস্বাদু।

বিজয় দিবসের খাবার সাজানোর টিপস

লাল-সবুজ থিম ব্যবহার করুন

যেহেতু বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় পতাকার রঙ লাল-সবুজের প্রতীক, তাই খাবার সাজাতে এই রঙ ব্যবহার করুন। যেমন, সালাদে লাল টমেটো ও সবুজ ধনে পাতা দিয়ে পতাকার আদল তৈরি করুন।

এছাড়াও, খাবারের প্লেটে লাল-সবুজ ন্যাপকিন বা ডেকোরেশন ব্যবহার করতে পারেন। ফলে, খাবার টেবিল দেখতে আকর্ষণীয় হবে।

পরিবেশনায় সৃজনশীলতা আনুন

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি তৈরির পাশাপাশি পরিবেশনেও মনোযোগ দিন। যেমন, বিরিয়ানি পরিবেশন করার সময় উপরে কিসমিস ও কাজু দিয়ে সাজান।

তদুপরি, মিষ্টি খাবারে এডিবল ফ্লাওয়ার বা সিলভার লিফ ব্যবহার করতে পারেন। ফলস্বরূপ, খাবার দেখতে আরও বিশেষ লাগবে।

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি তৈরির সাধারণ টিপস

সময় ব্যবস্থাপনা

বিজয় দিবসে অনেক খাবার তৈরি করতে হয়, তাই আগের দিন থেকে প্রস্তুতি নিন। যেমন, মাংস মেরিনেট করা বা মসলা বাটা তৈরি করে রাখুন।

এছাড়াও, রান্নার সময় একসাথে একাধিক কাজ করার চেষ্টা করুন। ফলে, সময় বাঁচবে এবং কাজ দ্রুত শেষ হবে।

উপকরণের গুণমান

ভালো খাবার তৈরির জন্য তাজা ও মানসম্পন্ন উপকরণ ব্যবহার করুন। বিশেষত, মাংস, সবজি ও মসলা কেনার সময় খেয়াল রাখুন।

তদুপরি, বাসমতি চাল বা ভালো মানের ঘি ব্যবহার করলে খাবারের স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়।

পরিবারের সবাইকে যুক্ত করুন

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি তৈরিতে পরিবারের সবাইকে যুক্ত করুন। যেমন, বাচ্চারা সালাদ তৈরি বা খাবার সাজাতে সাহায্য করতে পারে।

এভাবে, রান্না হবে আনন্দদায়ক এবং পরিবারের বন্ধন আরও মজবুত হবে।

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি: স্বাস্থ্যকর বিকল্প

কম তেলে রান্না

ঐতিহ্যবাহী খাবারে তেল বা ঘি বেশি ব্যবহার হয়। তবে, স্বাস্থ্যসচেতনতার জন্য কম তেলে রান্না করার চেষ্টা করুন।

যেমন, বিরিয়ানি তৈরিতে অতিরিক্ত ঘি না দিয়ে পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করুন। এছাড়াও, গ্রিল বা বেক করা চিকেন রোস্ট তৈরি করতে পারেন।

চিনি কমিয়ে মিষ্টি তৈরি

মিষ্টি খাবারে চিনির পরিমাণ কমিয়ে খেজুর বা মধু ব্যবহার করতে পারেন। ফলে, খাবার হবে স্বাস্থ্যকর এবং কম ক্যালোরিযুক্ত।

তদুপরি, ফিরনি বা সেমাই তৈরিতে কম ফ্যাটের দুধ ব্যবহার করতে পারেন।

উপসংহার

বিজয় দিবসের স্পেশাল রেসিপি তৈরি করে আপনি পরিবারের সাথে উদযাপন করতে পারেন স্বাধীনতার আনন্দ। কাচ্চি বিরিয়ানি, রেজালা, চিকেন রোস্ট বা দুধ সেমাই—প্রতিটি খাবারই বাঙালি ঐতিহ্যের অংশ।

সবশেষে, খাবার তৈরির পাশাপাশি পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে রান্না করুন। ফলে, বিজয় দিবস হবে আরও বিশেষ এবং স্মরণীয়।

আজই এই রেসিপিগুলো ট্রাই করুন এবং বিজয় দিবসকে করে তুলুন অবিস্মরণীয়। শুভ বিজয় দিবস!

👉 রান্না সহজ ও মজাদার করতে সাথে থাকুন: Runnar Hut

Explore

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Primary Sidebar

Categories

  • Superfoods
  • বাংলা রেসিপি
  • বিশেষ উপলক্ষের রান্না
  • ভেগান ও প্ল্যান্ট-বেইজড রান্না
  • মিষ্টি ও ডেজার্ট রেসিপি
  • শিশু ও বয়স্কদের খাবার
  • সহজ ঘরোয়া রেসিপি
  • স্বাস্থ্যকর খাবার রেসিপি
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
  • Disclaimer

Copyright protected by Runnar Hut © 2025